যদি নাড়িভুঁড়ি বা ভেতরের বর্জ্য বের করে মাছ শুকানো হয়ে থাকে, তবে তা খাওয়ার মধ্যে কোনো প্রকারের কারাহাত বা অপছন্দনঅপছন্দনীয়তা নেই। আর যদি ভেতরের বর্জ্য বের না করেই শুকানো হয়, তবে এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে; কোনো কোনো আলেমের মতে তা মাকরুহ, আবার কারো কারো মতে মাকরুহ নয়। তাই মতভেদ থেকে বাঁচার স্বার্থে উত্তম হলো এ ধরনের শুটকি মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
আল্লামা ইবনে আবেদিন শামি রাহিমাহুল্লাহ লিখেছেন,
وَفِي السَّمَكِ الصِّغَارِ الَّتِي تُقْلَى مِنْ غَيْرِ أَنْ يُشَقَّ جَوْفُهُ، فَقَالَ أَصْحَابُهُ أَيْ أَصْحَابُ الشَّافِعِيِّ: لَا يَحِلُّ أَكْلُهُ؛ لِأَنَّ رَجِيعَهُ نَجِسٌ، وَعِنْدَ سَائِرِ الْأَئِمَّةِ يَحِلُّ
“যে ছোট মাছ পেট না কেটে ভাজা হয়, সে সম্পর্কে ইমাম শাফেয়ী রহ.-এর অনুসারীগণ বলেছেন: তা খাওয়া হালাল নয়; কেননা এর বর্জ্য বা মল অপবিত্র। পক্ষান্তরে অন্যান্য সকল ইমামগণের মতে তা হালাল।” (ফাতাওয়া শামী ৬/৩০৯ করাচি)
আরও দ্রষ্টব্য: ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ১৮/২০৯ দাভেলি, আহসানুল ফাতাওয়া ৭/৩৮৯
ওয়াল্লাহু আ’লাম